প্রতিষ্ঠাতা প্রধানশিক্ষক

HEADSIR

ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এম এ ইয়াকুব আলীর কর্মময় জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:

** ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভেড়ামারা প্রাইমারী স্কুলে পড়াশোনা।
** ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষার পর উত্তর বঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ “রাজশাহী সরকারি কলেজ” এ অধ্যায়ন, যে কলেজকে সেই সময় সেকেন্ড প্রেসিডেন্সি কলেজ বলা হতো। সেই সময় রাজশাহী কলেজের শিক্ষক ছিলেন গবেষক, শিক্ষাবিদ ডঃ এনামুল হক যার ছাত্র হওয়া ছিল বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। ইনি সেই এনামুল হক যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। তার ছাত্র হতে পেরে এম এ ইয়াকুব আলী স্যার বিশেষ গৌরব বোধ করতেন। ড: আব্দুল হাই এবং প্রফেসর সিরাজুল হক ছিলেন তৎকালীন রাজশাহী কলেজের আরো দুজন খ্যাতিমান শিক্ষক।
** ১৯৫১-৫২ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ছাত্র হিসেবে যোগদান এবং পরবর্তীতে কলেজ সংসদ নির্বাচনে ভি,পি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া। ছাত্রনেতা হিসেবে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে যোগদান, অজস্র মিটিং, মিছিল, পুলিশের হয়রানি, পালিয়ে বেড়ানো ছিল তখন ওনার জীবনের নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
** পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে বি,এ পাশ করে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন হাই স্কুলে শিক্ষকতায় যোগদান।
** ১৯৫৫ সালে রাজশাহী ভার্সিটিতে বি, এড কোর্সে যোগদান। সেই সময় রাজশাহী কলেজের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন আই,এইচ জুবিরী যিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান একজন শিক্ষাবিদ এবং UNESCO এর Executive Board এর সদস্য। তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি এক্সফোর্ড এর Carnegie Fellow ছিলেন। এই আই,এইচ জুবিরী এর সান্নিধ্যে আসতে পেরে এম এ ইয়াকুব আলী স্যার নিজেকে বিশেষ সৌভাজ্ঞবান মনে করতেন।

ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এম এ ইয়াকুব আলীর কর্মময় জীবনের কিছু উল্লেখযোগ্য দিক:

** ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ভেড়ামারা প্রাইমারী স্কুলে পড়াশোনা।
** ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষার পর উত্তর বঙ্গের সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ “রাজশাহী সরকারি কলেজ” এ অধ্যায়ন, যে কলেজকে সেই সময় সেকেন্ড প্রেসিডেন্সি কলেজ বলা হতো। সেই সময় রাজশাহী কলেজের শিক্ষক ছিলেন গবেষক, শিক্ষাবিদ ডঃ এনামুল হক যার ছাত্র হওয়া ছিল বিরাট সৌভাগ্যের বিষয়। ইনি সেই এনামুল হক যিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম. এ. পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। তার ছাত্র হতে পেরে এম এ ইয়াকুব আলী স্যার বিশেষ গৌরব বোধ করতেন। ড: আব্দুল হাই এবং প্রফেসর সিরাজুল হক ছিলেন তৎকালীন রাজশাহী কলেজের আরো দুজন খ্যাতিমান শিক্ষক।
** ১৯৫১-৫২ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে ছাত্র হিসেবে যোগদান এবং পরবর্তীতে কলেজ সংসদ নির্বাচনে ভি,পি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া। ছাত্রনেতা হিসেবে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে যোগদান, অজস্র মিটিং, মিছিল, পুলিশের হয়রানি, পালিয়ে বেড়ানো ছিল তখন ওনার জীবনের নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
** পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ থেকে ১৯৫৩ সালে বি,এ পাশ করে ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন হাই স্কুলে শিক্ষকতায় যোগদান।
** ১৯৫৫ সালে রাজশাহী ভার্সিটিতে বি, এড কোর্সে যোগদান। সেই সময় রাজশাহী কলেজের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন আই,এইচ জুবিরী যিনি ছিলেন অসাধারণ প্রতিভাবান একজন শিক্ষাবিদ এবং UNESCO এর Executive Board এর সদস্য। তিনি ছিলেন প্রথম ভারতীয় যিনি এক্সফোর্ড এর Carnegie Fellow ছিলেন। এই আই,এইচ জুবিরী এর সান্নিধ্যে আসতে পেরে এম এ ইয়াকুব আলী স্যার নিজেকে বিশেষ সৌভাজ্ঞবান মনে করতেন।
** ১৯৬০ সালে মতিঝিল সেন্ট্রাল গভঃ হাই স্কুলে যোগদান।
** ১৯৬১ সালে স্কুলের স্কাউট এর দায়িত্ব গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ ডিগ্রি উডবাজ (Wood Badge) অর্জন করা।
** এই সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মার্কিন শিক্ষকদের পরিচালনায় INSTITUTE OF EDUCATION AND RESEARCH (IER) চালু হয়। এম এ ইয়াকুব আলী স্যার এখান থেকে ১৯৬৪ সোনে এম, এড ডিগ্ৰী লাভ করেন।
** ১৯৭০ সন ছিল এম এ ইয়াকুব আলী স্যার এর জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই বছর BRITISH COMMONWEALTH BURSERY SCHEME এর অধীনে বৃত্তি নিয়ে ইংল্যান্ড এ পড়াশোনার জন্য গমন করেন এবং UNIVERSITY OF EXETER INSTITUTE OF EDUCATION
(https://www.exeter.ac.uk) এর অধীনে ডিপ্লোমা কোর্স সমাপ্ত করেন।
** ১৯৭১ সালে পুনরায় মতিঝিল সেন্ট্রাল গভঃ হাই স্কুলে যোগদান।
** ১৯৮১ সালে পাবনা জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান।
** ১৯৮৭ সালে মুন্সীগঞ্জ কে, কে গভঃ স্কুলে বদলি করা হয়। এই সময় উনি ছিলেন ষড়যন্ত্রের স্বীকার।
** এরপর পল্লীমা একাডেমিতে যোগদান। পরবর্তীতে

(INCOMPLETE…WORKING ON IT)